কয়রায় শিশুমৃত্যু, স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

সারাদেশ

খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শ্বাসকষ্ট ও খিঁচুনি নিয়ে আসা দেড় মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসাসেবায় অবহেলার

2026-10-26T15:43:13+06:00
2026-10-26T15:47:36+06:00
সোমবার ● ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১০ কার্তিক ১৪৩৩
শিরোনাম:
সারাদেশ
কয়রায় শিশুমৃত্যু, স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪৩ পিএম  আপডেট: ২৬.১০.২০২৬ ৩:৪৭ পিএম 
ছবি: যাযাদি
খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শ্বাসকষ্ট ও খিঁচুনি নিয়ে আসা দেড় মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসাসেবায় অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে খুলনার সিভিল সার্জনের কাছে চিঠি দিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রেজাউল করিমের স্বাক্ষরিত চিঠি সূত্রে জানা যায়, গত ২২ অক্টোবর সকালে শ্বাসকষ্ট ও খিঁচুনি নিয়ে শিশুটিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। সে সময় দায়িত্বে ছিলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি শিশুটিকে নেবুলাইজেশন দেওয়ার পরামর্শ দিলেও তার শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করেননি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন চিকিৎসককে জানাননি।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রায় ৩০ মিনিট পর শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে তাকে জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তামান্না খাতুন শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ তুলে আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, “ওই দিন সকাল ৮টায় আমার ডিউটি শেষ হয়। জরুরি বিভাগ থেকে বের হওয়ার সময় শিশুটিকে নিয়ে আসা হয়। শিশুটির কান্না শুনে নেবুলাইজেশন করার পরামর্শ দিয়ে আমি চলে যাই। বাসায় যাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর শিশুটির মৃত্যুর খবর জানতে পারি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, দুর্গাপূজার ছুটি চলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বী চিকিৎসকেরা ছুটিতে ছিলেন। এ সময় সীমিত পরিসরে জরুরি বিভাগ চালু রাখার নির্দেশনা ছিল। তাঁর মতে, শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা না দিয়ে এবং বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুনের চলে যাওয়া উচিত হয়নি।

খুলনার সিভিল সার্জন ডা. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় শিশুটির মৃত্যুর অভিযোগ নিয়ে এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তবে চিকিৎসায় অবহেলা ছিল কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
  বিষয়:   কয়রা  শিশুমৃত্যু  চিঠি 


সারাদেশ- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি, লাভ রোড, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত