বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

যাযাদি অনলাইন

জাতীয়

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ

2026-10-24T10:29:02+06:00
2026-10-24T13:31:30+06:00
শনিবার ● ২৪ অক্টোবর ২০২৬
৮ কার্তিক ১৪৩৩
শিরোনাম:
জাতীয়
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা
যাযাদি অনলাইন
প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৯ এএম  আপডেট: ২৪.১০.২০২৬ ১:৩১ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।

আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) ওয়েদার অবজারভেশন টিম এ তথ্য জানায়। 

বিডব্লিউওটি জানায়, এটি আগামী তিন থেকে চার দিন ক্রমান্বয়ে শক্তিবৃদ্ধি করতে পারে। গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, আগামী ৬ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। পরবর্তী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে এটি গভীর নিম্নচাপ এবং আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে সুস্পষ্ট লঘুচাপটির কেন্দ্র থেকে ১০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বাতাসের গড় সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৩৫ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর প্রভাবে মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকাগুলোতে সাগর ধীরে ধীরে উত্তাল হতে শুরু করেছে।

আবহাওয়া সতর্কবার্তার বিষয়ে জানানো হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে আবহাওয়া দপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সতর্ক সংকেত জারি করা না হলেও খুব দ্রুতই হুঁশিয়ারি সংকেত জারি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে গভীর সাগরে অর্থাৎ উপকূল থেকে ১৫০ কিলোমিটারের বেশি দূরে না যাওয়ার পরম পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জেলেদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সিস্টেমটি আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টা গড়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর পর শক্তিসঞ্চয় করে ধীরে ধীরে পশ্চিম দিকে মোড় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিম-মধ্য এবং তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে পৌঁছে এটি নিজের সর্বোচ্চ শক্তিমত্তা অর্জন করতে পারে। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এটি একটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার স্পষ্ট লক্ষণ থাকলেও ঠিক কতটা শক্তিশালী হবে তা এখনো নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি।   

বিডব্লিউওটি আরও জানায়, সম্ভাব্য এই সিস্টেমটি থেকে বাংলাদেশের উপকূলে সরাসরি আঘাত হানার বা বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর কোনো ঝুঁকি এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। ঘূর্ণিঝড় হিসেবে এটি পূর্ণ রূপ নেওয়ার পর আগামী ২৮ অক্টোবরের দিকে ভারতের উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ অথবা তৎসংলগ্ন দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশে সরাসরি আঘাত না হানলেও দূরবর্তী প্রভাবে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। সিস্টেমটি ভারতের উপকূলের দিকে অতিক্রম করার সময় সেখানে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে। 

আগামী ২৭ বা ২৮ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশের ওপর একটি বিস্তৃত ‘বৃষ্টি বলয়’ সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। এই বৃষ্টি বলয়ের প্রভাবে ২৭ ও ২৮ অক্টোবর থেকে শুরু করে ১ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ এলাকায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে তুলনামূলকভাবে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। বিপরীতে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে বৃষ্টি হলেও তার পরিমাণ খানিকটা কম হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। 
  বিষয়:   আবহাওয়া  ঘূর্ণিঝড়  শঙ্কা 


জাতীয়- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি, লাভ রোড, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত