প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৩ পিএম
ছবি-যাযাদি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার চাঁদগ্রাম ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পুঁটিমারী খালে ভেঙে যাওয়া বাঁশের সাঁকো নিয়ে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ। কর্তৃপক্ষের সহায়তার অপেক্ষায় না থেকে এবার নিজেদের উদ্যোগেই পারাপারের পথ ফিরিয়ে আনতে নেমেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পুঁটিমারী খালের ওপর প্রায় ৬০ ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় দুই পাড়ের মানুষের চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটে। কয়েকজন শ্রমিককে সঙ্গে নিয়ে সাঁকোটি পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করেন স্থানীয়রা। দুই পাড়ের বাসিন্দাদের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাঁশ সংগ্রহ করেছেন তাঁরা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, জনপ্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ায় নিজেদের অর্থ ও শ্রমেই ভাঙা সাঁকোটি মেরামতের উদ্যোগ নিতে হয়েছে।
চাঁদগ্রাম ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা কাজল হেসেন বলেন, “বিগত দুই বছর ধরে এপার থেকে ওপারে পারাপারের জন্য এই সাঁকোটি ব্যবহার করা হচ্ছিল। সপ্তাহখানেক আগে আমরা তিনজন একসঙ্গে পার হওয়ার সময় সাঁকোটি ভেঙে যায়। এরপর এলাকার সবাই মিলে উদ্যোগ নিয়ে সকলের সহযোগিতায় নিজেরাই মেরামতের কাজ শুরু করেছি।”
আব্দুর রশিদ জানান, “ভেড়ামারা চাঁদগ্রাম ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ড এলাকার পুঁটিমারী খাল পারাপার হতে এলাকাবাসীকে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হতে হয়। পারাপারের একমাত্র ভরসা এই সাঁকোটিই। প্রতিবছরই এটি মেরামত করতে হয়। সরকার যদি এই খালের ওপর একটি টেকসই সেতু নির্মাণ করে দেয়, তাহলে এলাকাবাসীর বহুদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে।” স্থানীয়রা আশা করছেন, জরুরি পারাপারের এই অস্থায়ী বাঁশের সাঁকোর বদলে পুঁটিমারী খালের ওপর দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হবে। ততদিন পর্যন্ত নিজেদের উদ্যোগে গড়া এই সাঁকোই থাকবে দুই পাড়ের মানুষের একমাত্র ভরসা।
ভেড়ামারা চাঁদগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হাফিজ তপন বলেন, চাঁদগ্রাম ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ড এলাকার পুঁটিমারী খালের (নদী) উপর ব্রীজ করার জন্য প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে ব্রীজ তৈরি হবে।