প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৭ পিএম
ছবি-যাযাদি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দূর্গা পূজা বুধবার (২১ অক্টোবর) দশমির পর মা দূর্গাকে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে দূর্গা পূজা উৎসব।
আর এ পূজা আরম্ভ হওয়ার পর থেকে নীলফামারীর সৈয়দপুরের হাটগুলোতে গরু আমদানি কমে যাওয়ায় বাজারে গরুর মাংসের কেজি দাঁড়িয়েছিল ৭শ’ থেকে সাড়ে ৭শ’ টাকা। বুধবার (২১ অক্টোবর) বাজারে ছিল সেই চিত্র। আবার বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সৈয়দপুরের বাজারে গেলে এর ভিন্ন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে যে, গরুর মাংসের দাম আরো বেড়ে ৮শ’ টাকা কেজি দরে পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ ২৩ অক্টোবর শুক্রবার হওয়ায় এ অবস্থা দাঁড়িয়েছে বলে বাজারে আসা ক্রেতারা অভিযোগ করে জানান।
মুসলিম ধর্মাবলম্বিদের মাঝে পূর্বে থেকেই দেখা গেছে, শুক্রবার জুমার দিনে প্রায় সবারই ঘরে গরুর মাংস খাওয়া হয়। এজন্যে বৃহস্পতিবার করে বাজারে গরুর মাংসের চাহিদা বেড়ে যায়। যার প্রভাব আজ বৃহস্পতিবারও পড়েছে।
অথচ, ক’দিন আগেও বাজারের গরুর মাংস সাড়ে ৬শ’ থেকে ৬৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়ে আসছিল। কথা হলে স্থানীয় কসাইরা জানান, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজনই বেশীরভাগ গরু লালন-পালন করেন। আর তাদের প্রধান ধমীয় উৎসব দূগা পূজা আসার ক’দিন আগ থেকেই হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো মানুষজন তাদের পালন করা গরু বিক্রি করতে হাটে আসছেন না। যার ফলে, হাটগুলোতে গরু আমদানি কম হওয়ায় গরুর মূল্য অনেক বেড়ে গেছে। যার জন্য গরুর মূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে মাংসের দামও বেড়ে গেছে। এসময় কসাইরা জানান, আগামীকাল বা পরশু থেকে হয়তো গরুর মাংসের কেজি দাঁড়াবে ৮শ’ টাকা কেজি পর্যন্ত। কারণ, হিসাবে তারা জানান, দশমির মাধ্যমে পূজা উৎসব শেষ হলেও এর রেশ আরো দড় সপ্তাহের মতো বিরাজ করায় মাংসের মূল্য তেমন একটা কমবে না।
অপরদিকে কথা হলে, সৈয়দপুর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীপাড়ার ক্রেতা সাবের হোসেন, কামারপুকুর ইউনিয়নের ব্রক্ষ্মোত্তরের দুলু, লক্ষনপুর ইউনিয়নের বালাপাড়ার বিশাদু জানান, এমনিতেই চারিদিকে হাহাকার ভাব চলছে। মানুষজন ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় মজুরদের মজুরিও বেড়ে গেছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ব শ্রেণির মানুষজন মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা গরুর মাংস অনেকেই কিনতে পারছেন না।