সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির সাজার তথ্য ছিল না বন্দি তালিকায়

যাযাদি অনলাইন

সারাদেশ

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির সাজা সম্পর্কে বন্দিদের তালিকায় কোনো তথ্য ছিল না বলে জানিয়েছে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট

2026-10-20T19:27:58+06:00
2026-10-20T19:27:58+06:00
বুধবার ● ২১ অক্টোবর ২০২৬
৫ কার্তিক ১৪৩৩
শিরোনাম:
সারাদেশ
সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির সাজার তথ্য ছিল না বন্দি তালিকায়
যাযাদি অনলাইন
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২৭ পিএম  
ছবি: ফেসবুক
সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির সাজা সম্পর্কে বন্দিদের তালিকায় কোনো তথ্য ছিল না বলে জানিয়েছে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কার্যালয়। এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে একটি ‘গোপনীয়’ চিঠি পাঠিয়েছে কনস্যুলেট। ১৮ অক্টোবর তারিখের ওই চিঠির একটি অনুলিপি পেয়েছে দ্য ডেইলি স্টার।

চিঠি অনুযায়ী, গত ১৪ অক্টোবর সৌদি আরবের মক্কায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি হলেন নজরুল ইসলাম আব্দুল বশির ও সুইটি আক্তার। তারা পৃথক অভিযোগে ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে ছিলেন।

জেদ্দা কনস্যুলেটের শ্রম উইংয়ের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর কনস্যুলেটের পাওয়া বন্দিদের তালিকা অনুযায়ী, সৌদি আরবের সাইবার অপরাধ আইনে ২০২৩ সালের এক আগস্ট নজরুলকে আটক করা হয়। পরদিন ব্যভিচারের অভিযোগে আটক করা হয় সুইটিকে। নজরুল জেদ্দা সংশোধনাগারে এবং সুইটি জেদ্দা মহিলা কারাগারে বন্দি ছিলেন। দুজনই ‘আল মাজাল কোম্পানিতে’ পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বন্দিদের তালিকার সাত নম্বর কলামে যেসব কয়েদির রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তাদের সাজার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়ার কথা থাকলেও নজরুল ও সুইটির সাজার কোনো তথ্য সেখানে ছিল না। সৌদি আরবে সাইবার আইন ও ব্যভিচারের অভিযোগে কোনো বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার নজির নেই বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

কনস্যুলেটের আওতাধীন সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের কারাগারগুলোতে বিভিন্ন ধরনের চারিত্রিক মামলায় ৩০৬ বাংলাদেশি আটক রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৪৭ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ঘোষণা করা হয়েছে। এসব সাজা এক মাস থেকে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড পর্যন্ত।

অন্যদিকে, সাইবার বা তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মক্কায় দায়ের হওয়া পৃথক তিনটি মামলায় আসামিদের ছয় মাস থেকে পাচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে জানানো হয়।

বিচারিক প্রক্রিয়ায় অনুবাদ-সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতার কথাও চিঠিতে তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, সৌদি আরবের ক্রিমিনাল কোর্টসহ অন্যান্য আদালতে ‘মারকাযুত তারজামাহ আল মুওয়াহহাদ’ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শুনানির সময় অনুবাদের সহায়তা নেওয়া হয়। এসব আদালতে বিচারিক কার্যক্রমে আসামির পক্ষে কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে অনুবাদক হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

তবে নজরুল ও সুইটির বিচার চলাকালে তাদের পক্ষে দোভাষী বা আইনি প্রতিনিধি ছিলেন কি না, সে বিষয়ে চিঠিতে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। তাঁদের পরিবারের পক্ষ থেকেও আইনি সহায়তা চেয়ে কনস্যুলেটে কোনো আবেদন বা যোগাযোগ করা হয়নি বলে জানানো হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, মৃত্যুদণ্ডের রায় বা তা কার্যকরের বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক কিংবা অনানুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ দূতাবাস বা জেদ্দা কনস্যুলেটকে কিছু জানায়নি।

এ ঘটনায় কনস্যুলেট সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মক্কা শাখায় একটি ‘নোট ভার্বাল’ পাঠিয়ে রায়ের অনুলিপি ও মামলার বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী প্রতিবেদন পাঠানো হবে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।
  বিষয়:   সৌদি আরব  মৃত্যুদণ্ড  প্রবাসী  জেদ্দা কনস্যুলেট 


সারাদেশ- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
লাভ রোড, ৪৪৬/ই+এফ+জি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত