প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৬ পিএম
ছবি: যাযাদিঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার বেদে পল্লীতে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদক কেনাবেচা ও ড্রাগন ফল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি মোবারকগঞ্জ রেলওয়ে বস্তি থেকে স্থানীয়রা একজনকে ড্রাগন ফল চুরির অভিযোগে আটক করেন। তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে মিজান নামে এক ব্যক্তিকে মাদক ব্যবসার অভিযোগে ধরে আনা হয় বলে স্থানীয়রা জানান। পরে তাঁদের পুলিশের কাছে না দিয়ে আলোচনার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেদে পল্লীর বাসিন্দা ও স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। এর জেরে সোমবার রাতে বেদে পল্লীর একাংশের সরদার মনিরুল ইসলাম এবং স্থানীয় বাসিন্দা ইমাম হোসেন লাভলু ও রেজা ডাকাতের নেতৃত্বে কয়েকজন মিলে একাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ উঠেছে।
ওই ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে গ্রামের লোকজন একত্রিত হয়ে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে শামীম হোসেন, ইমাম হোসেন লাভলুসহ কয়েকজনকে আটক করে মারধর করেন বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কালীগঞ্জ থানা পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ লাইন থেকেও অতিরিক্ত পুলিশ আনা হয়।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।