প্রকাশ: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১১ পিএম
ছবি-যাযাদি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে নানা সময়ে নানা ধরনের আলোচনা- সমালোচনা শোনা যায়। তবে এর মধ্যেও এমন কিছু কর্মকর্তা রয়েছেন, যারা প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকে দায়িত্ব, সততা ও পেশাগত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন। তাদের কাজের মূল্যায়ন হয় মানুষের অভিজ্ঞতায়, প্রচারে নয়।
যশোরের শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ তাদেরই একজন। দায়িত্ব পালনে সততা, পেশাগত নিষ্ঠা ও নৈতিক দৃঢ়তার কারণে স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করেছেন।
শার্শায় দায়িত্ব পালনের সময়ে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনের বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছেন ফজলে ওয়াহিদ। সরকারি সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং দায়িত্বের জায়গা থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে তার সক্রিয়তা স্থানীয়দের নজর কেড়েছে।
সম্প্রতি শার্শায় বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমেও তাকে সম্পৃক্ত থাকতে দেখা গেছে। প্রশাসনের নিয়মিত দায়িত্বের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ তার সম্পর্কে মানুষের মধ্যে আস্থার জায়গা তৈরি করছে।
তবে প্রচার বা আলোচনায় থাকতে আগ্রহী নন ফজলে ওয়াহিদ। দায়িত্বকে তিনি দেখেন সরকারি চাকরির একটি স্বাভাবিক কর্তব্য হিসেবে। ফলে তার কাজের অনেকটাই থেকে যায় প্রচারের আড়ালে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার সবচেয়ে বড় পরিচয় তার পদ নয়, তার আচরণ ও দায়িত্ব পালনের ধরন। সে জায়গা থেকে ফজলে ওয়াহিদের কাজ মানুষের মধ্যে ভালো ধারণা তৈরি করেছে।
সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা এখনো যে সম্ভব, ফজলে ওয়াহিদের মতো কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ড তারই উদাহরণ। প্রচারের বাইরে থেকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়া এমন কর্মকর্তারাই মানুষের কাছে রাষ্ট্রের প্রশাসনের ইতিবাচক চিত্র তুলে ধরেন।
প্রশাসনের কাজে সাফল্যের পাশাপাশি মানুষের আস্থা অর্জনও একজন কর্মকর্তার বড় অর্জন। আর সেই আস্থার জায়গাটি ধরে রেখে নীরবে কাজ করে যাওয়াই হতে পারে একজন সরকারি কর্মকর্তার সবচেয়ে বড় পরিচয়।