প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৭ পিএম
ছবি-যাযাদি আমরা প্রথমে রেলের জায়গা রেলের প্রয়োজনে পরে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে ব্যবহার করতে চাই। আমরা জায়গাগুলো শনাক্ত করছি। রেলওয়ের যে জায়গা দখলে আছে, সেগুলো চিহ্নিত করে দখলমুক্ত করা হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শন শেষে দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এ কথা জানান।
রেলমন্ত্রী বলেন, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায়। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাংলাদেশের রেলওয়ে যতটা আমূল পরিবর্তন এবং যাত্রীবান্ধব করা সম্ভব সেটি করবো। কারণ আমাদের রেলযাত্রার ঐতিহ্য যেমন আছে, প্রয়োজনও আছে। সেটি আরও প্রসারিত করার প্রয়োজন আছে। এটি আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল। আমাদের দু’টি যে কারখানা আছে সেগুলোকে কীভাবে সম্পৃক্ত করা যায় সেই লক্ষ্যে এখানে আসা। এখানে কোথায় সমস্যা আছে আমরা জেনেছি, সম্ভাবনা কী আছে ? সেটিও জেনেছি। কিছু-কিছু যন্ত্রাংশ তৈরি সরাসরি দেখেছি এবং সেটির মান দেখেছি। আমরা আশ্বস্ত হয়েছি। কিন্তু একটি জায়গায় আমার মনে হয়েছে এখানে যে কোচ মেরামত হচ্ছে সেটি আরও মানসম্মত হতে হবে। এখানে কিছু পূর্বের মেশিন আছে, সেগুলো কোয়ালিটি সম্পন্ন মেশিন। পূর্বাঞ্চল এবং পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে মিলে প্রায় ৪০০’র মতো কোচ মেরামতের অপেক্ষায় আছে। সেগুলো মেরামত করে আবার সচল করতে আমরা দক্ষ কারিগর নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখেছি।
রেলওয়ের দখল হওয়া হওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জায়গা চিহ্নিত করে দখলমুক্ত করা হবে। রেলমন্ত্রী বলেন, আমি এখানে দেখেছি প্রায় ২৪০০ এর মতো আবাসন রয়েছে। তবে সেখানে শুধুমাত্র ৯০০ এর মতো লোক আছে। আবাসনের কোনো সংকট নেই। এখানে পুরোনো ভবনে হাউস রেন্ট যেটা কাটে সেটার থেকে বাহিরে কম টাকায় ভালো বাসা ভাড়া পাওয়া যায়। এজন্য অনেকে রেলের আবাসনে থাকতে আগ্রহী হননা।
তিনি বলেন, রেলওয়ের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ একর জায়গা পৌরসভা দখল করে আছে। রেল কর্তৃপক্ষ ও পৌরসভার মধ্যে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একটি বিরোধ রয়েছে সেটি অনেকটা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। আজকের মিটিংয়ে ইউএনও’ সাহেবসহ বিভিন্ন কর্মকর্তার সাথে এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি রেলওয়ে হাসপাতাল সম্পর্কে বলেন, রেলের পক্ষ থেকে হাসপাতাল পরিচালনায় ডাক্তার, নার্স এবং সেবা নিশ্চিত করতে কঠিন হয় বিধায় আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। দেশের প্রায় ৯টি রেলওয়ে হাসপাতাল রয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালেয়ের সঙ্গে যৌথ ব্যবস্থাপনায় কীভাবে সেসব কাজ করা যায় সেগুলো আমরা প্রতিষ্ঠিত করব।
রেলমন্ত্রী বলেন, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা একটি প্রতিষ্ঠিত ও সুনামধন্য কারখানা ছিল। এটি এক সময়ে দেশকে রিপ্রেজেন্ট করেছে। সেই ১৮৬২ থেকে ১৮৭০ এখানে কারখানা হয়েছে। তখন যে প্রয়োজনে হয়েছে সেটি আছে এবং আরও বেড়েছে। তবে সেভাবে এই কারখানা ডেভেলপমেন্ট হয়নি। আমি কারখানা পরিদর্শন করে দেখলাম আমাদের কোচ মেরামত করার অনেক প্রয়োজনীয় যন্ত্রণাংশ রয়েছে। এক সময় এখানে ১২ হাজারের মতো পার্টস তৈরি হতো, এখন সেটি ৬৫৪ থেকে ৬৫৫-তে এসেছে। এই পার্টস এখন আমাদের আমদানি করতে হচ্ছে, তবে এখানে অনেক পার্টস তৈরি করা সম্ভ