পিয়ারাপুর শহীদ মজাফরুল মনির উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নদীতীর সংরক্ষণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। “সমাজের যত অপকর্ম, নারীঘটিত সব কিছুর সঙ্গে বিরোধী দল জড়িত”—এমন মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
আজ শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের পিয়ারাপুর শহীদ মজাফরুল মনির উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নদীতীর সংরক্ষণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, লক্ষ্মীপুরের আয়োজনে বাংলাদেশ সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় সদর উপজেলার প্রায় ১০ কিলোমিটার নদীতীরের ২৭টি স্পটে ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে জিও-সিমেন্টের তিনটি প্যাকেজের তীর সংরক্ষণ কাজ শুরু হয়েছে।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ্যানি চৌধুরী বলেন, “সমাজের যত অপকর্ম, নারীঘটিত সব কিছুর সঙ্গে বিরোধী দল জড়িত।” তিনি আরও বলেন, “দেশের বিরুদ্ধে, সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দল ও ফ্যাসিবাদ জড়িত।” এসব বক্তব্য তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে; অনুষ্ঠানে এসব অভিযোগের পক্ষে নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণের তথ্য পাওয়া যায়নি।
মন্ত্রী বলেন, নদীভাঙন থেকে মানুষের বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। রহমতখালী নদীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য শিগগিরই ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে অনুষ্ঠানে ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের নদীভাঙনপ্রবণ এলাকায় তীর সংরক্ষণ কাজের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, ২৭টি ঝুঁকিপূর্ণ স্পটে বাস্তবায়নাধীন কাজের মাধ্যমে নদীতীরের ভাঙন ঠেকানোর পাশাপাশি স্থানীয় জনবসতি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের কারণে বিভিন্ন এলাকার মানুষ ঝুঁকিতে রয়েছেন। কাজটি যথাযথভাবে ও দ্রুত বাস্তবায়ন হলে নদীভাঙন কমার পাশাপাশি মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষা হবে বলে আশা করছেন তারা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যসূত্রের নোট: আপনার দেওয়া অনুষ্ঠানের তথ্যের ভিত্তিতেই ৬০ কোটি ও ৩০০ কোটি টাকার অঙ্কগুলো রাখা হয়েছে। আমার ওয়েব যাচাইয়ে এই নির্দিষ্ট দুই প্রকল্পের সরকারি ডিপিপি/অনুমোদন-সংক্রান্ত প্রামাণ্য নথি পাওয়া যায়নি। তাই সংবাদে এগুলোকে মন্ত্রী/অনুষ্ঠানে দেওয়া তথ্য হিসেবে উল্লেখ করাই নিরাপদ। বাংলাদেশের নদীতীর সংরক্ষণে জিওব্যাগ ও স্যান্ড-সিমেন্টভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যবহার প্রচলিত