প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫১ পিএম

আন্তর্জাতিক আকাশপথে সক্ষমতা বাড়াতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হচ্ছে আরও ১১টি অত্যাধুনিক বোয়িং উড়োজাহাজ। এ লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে সম্পূরক চুক্তি করেছে জাতীয় পতাকাবাহী বিমান।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।
চুক্তি স্বাক্ষরের সময় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ।
নতুন ১১টি উড়োজাহাজ সংগ্রহের এ উদ্যোগকে বিমানের দীর্ঘমেয়াদি বহর আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বহরের সক্ষমতা ও পরিচালনাগত নমনীয়তা বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনে বিমানের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন বলেন, “আজকের এই সম্পূরক চুক্তি বিমানের চলমান বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”
তিনি বলেন, দেশের আন্তর্জাতিক আকাশ যোগাযোগের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে বিমান তার নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিমান কর্তৃপক্ষের মতে, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিদ্যমান বোয়িং বহরের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে পরিচালন দক্ষতা বাড়ানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বহর ব্যবস্থাপনায় ধারাবাহিকতা এবং উড়োজাহাজ পরিচালনায় প্রয়োজনীয় নমনীয়তা নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হবে।
জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থাটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক যোগাযোগের চাহিদা ও বৈশ্বিক এভিয়েশন খাতের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভবিষ্যতে বহর ও নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে।